Logo

সাহিত্য সংস্কৃতি    >>   কাপাসিয়ায় আনন্দধারা ললিতকলা একাডেমির আয়োজনে রবীন্দ্র-নজরুল উৎসব অনুষ্ঠিত: ৪৫ জন শিক্ষার্থী-শিক্ষকের অংশগ্রহণে নাচ, গান ও আবৃত্তিতে মুখরিত হয় সন্ধ্যা

কাপাসিয়ায় আনন্দধারা ললিতকলা একাডেমির আয়োজনে রবীন্দ্র-নজরুল উৎসব অনুষ্ঠিত: ৪৫ জন শিক্ষার্থী-শিক্ষকের অংশগ্রহণে নাচ, গান ও আবৃত্তিতে মুখরিত হয় সন্ধ্যা

কাপাসিয়ায় আনন্দধারা ললিতকলা একাডেমির আয়োজনে রবীন্দ্র-নজরুল উৎসব অনুষ্ঠিত: ৪৫ জন শিক্ষার্থী-শিক্ষকের অংশগ্রহণে নাচ, গান ও আবৃত্তিতে মুখরিত হয় সন্ধ্যা

প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:

গাজীপুরের কাপাসিয়ার কলেজ রোডে অবস্থিত ‘দ্য প্যালেস কনভেনশন সেন্টারে’ অনুষ্ঠিত হলো আনন্দধারা ললিতকলা একাডেমির শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ রবীন্দ্র-নজরুল সাংস্কৃতিক উৎসব।  গত ২৫ জুলাই ২০২৫ শুক্রবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ উৎসবে উপস্থিত দর্শকশ্রোতা মুগ্ধ হন শিল্পীদের পরিবেশনায়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলা কালচারাল অফিসার জনাবা শাহেলা খাতুন।


বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এস এম ফাতেমা এবং মূখ্য আলোচক ছিলেন কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সোহেল শিশির এবং সভাপতিত্ব করেন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা, পরিচালক ও অধ্যক্ষ জনাব চন্দন রক্ষিত।
এ উৎসবে আনন্দধারা ললিতকলা একাডেমির প্রায় ৪৫ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত গান, নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন। শিশু-কিশোরদের পারফরম্যান্সে উৎসবজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সৌন্দর্য ও চেতনার উজ্জ্বল ছাপ।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গের পাশাপাশি অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন এবং আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন।


উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত আনন্দধারা ললিতকলা একাডেমি দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে সংগীত, নৃত্য, তবলা, চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। বর্তমানে একাডেমিতে সাতজন অভিজ্ঞ শিক্ষক পরিচালিত পাঁচটি বিভাগে শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়মিত পাঠ গ্রহণ করছে। জাতীয় দিবস, প্রতিযোগিতামূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও স্থানীয় কর্মসূচিতে এ একাডেমির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে ধারাবাহিকভাবে সাফল্য অর্জন করে চলেছে।
একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান অধ্যক্ষ চন্দন রক্ষিত বলেন, যতদিন শারীরিক ও মানসিকভাবে সক্ষম থাকবেন, ততদিন সাংস্কৃতিক চর্চা ও শিক্ষার এই কেন্দ্র পরিচালনা করে যেতে চান। তিনি একাডেমিকে দেশের গর্ব হিসেবে গড়ে তুলতে চান শিশু-কিশোর প্রজন্মের সাংস্কৃতিক জাগরণের মাধ্যমে।