রংপুরে তালাবদ্ধ বাড়িতে সনাতনী শিক্ষক পরিবারের চার মরদেহ—নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ: গণপতি চক্রবর্তী ছাদে, স্ত্রী-মেয়ে সিঁড়িতে, ছেলে খাটের নিচে—চারজনের মৃত্যু ঘিরে রহস্য ও আতঙ্ক
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক :
রংপুরে তালাবদ্ধ একটি বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় গভীর আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ শনিবার রাতে নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘিরে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের বর্ণনা অনুযায়ী, গণপতি চক্রবর্তীর মরদেহ পাওয়া যায় ছাদে, স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ সিঁড়ির কাছে এবং ছেলে প্রীয়মের মরদেহ খাটের নিচে পাওয়া যায়।
পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মরদেহগুলোর গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং বাড়ির ভেতরের মালামাল তছনছ অবস্থায় পাওয়া গেছে। ডাকাতির বিষয়টিও তদন্তে বিবেচনায় রয়েছে।
একটি পরিবারের চার সদস্যের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু ও সনাতন ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত? ভয়, হুমকি ও অনিরাপত্তার অভিযোগের মধ্যে রংপুরের এই ঘটনা সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের দাবি আরও জোরালো করেছে।
তবে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে সাম্প্রদায়িক বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছিল কি না, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।



















