ধর্মীয় সম্প্রীতি ও রোজার ভাবগাম্ভীর্যে নিউইয়র্কে চ্যানেল আই’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:
পবিত্র মাহে রমজানের আধ্যাত্মিক তাৎপর্য, সংযম ও আত্মশুদ্ধির অনুপম বার্তা ধারণ করে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে চ্যানেল আই যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির আবহে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্টজন, আলেম-ওলামা, পেশাজীবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং চ্যানেল আই’র পৃষ্ঠপোষকরা অংশ নেন।
নিউইয়র্কের কুইন্সের উডসাইডের গোলশান টেরেসে আয়োজিত এই মাহফিল পরিণত হয় এক হৃদ্যতাপূর্ণ মিলনমেলায়। রমজানের মূল শিক্ষা—সহমর্মিতা, ত্যাগ, ধৈর্য ও মানবিক মূল্যবোধ—এখানে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয় অংশগ্রহণকারীদের আচরণ ও কথায়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রবাসে এ ধরনের আয়োজন শুধু ইফতারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং আধ্যাত্মিক চর্চাকে আরও দৃঢ় করে। বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে চ্যানেল আই’র ধারাবাহিক এ উদ্যোগ প্রবাসী সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
চ্যানেল আই যুক্তরাষ্ট্রের সিইও রাশেদ আহমেদ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, রমজান মানুষকে আত্মশুদ্ধি, সংযম ও মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগের শিক্ষা দেয়। এই চেতনাকে ধারণ করেই চ্যানেল আই প্রবাসে ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কে নিযুক্ত বাংলাদেশ কনস্যুলেটের ডেপুটি কনস্যাল জেনারেলসহ বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অংশ নেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রিয়েলেটর নুরুল আজীম এবং গ্রী মেকানিক্যাল ইয়াংকার্স-এর প্রেসিডেন্ট ও সিইও তোফায়েল খান , সংগঠক ও কমিউনিটির নেতা মাহমুদ কাজল , মীম টিভির সম্পাদক সুজন আহমেদ প্রমুখ ।
রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ইসলামী স্কলার সাইফুল আজম আজহারী। তিনি বলেন, রোজা মানুষের মাঝে আত্মনিয়ন্ত্রণ, ধৈর্য ও আল্লাহভীতি জাগ্রত করে, যা ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ইফতারের আগে ও পরে দেশ, জাতি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
সবশেষে চ্যানেল আই যুক্তরাষ্ট্রের সিইও রাশেদ আহমেদ আবারও উপস্থিত সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পবিত্র রমজানের এই আয়োজনে যে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও পারস্পরিক সম্প্রীতির চিত্র ফুটে উঠেছে, তা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও সুসংহত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


















