সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক পাঁচ বারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা, আমার প্রিয় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্য নতুন বছর নিয়ে আসুক অনাবিল সম্প্রীতি, সুখ ও সমৃদ্ধি। বিগত দিনের দুঃখ-গ্লানি মুছে, ভুল-ভ্রান্তি দূর করে বছরটি হয়ে উঠুক সকলের জন্য স্মরণীয়। এই দেশটি সকল ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশা ও জাতিসত্তার মানুষের হয়ে উঠুক, এ-আমার একান্ত স্বপ্ন ও সংগ্রামী জীবনের আাকাঙ্ক্ষা।তিনি বলেন,
প্রিয় দেশবাসী, দেশকে ধ্বংস করার চক্রান্তে লিপ্ত ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ ও ঘৃণ্যচিত্র ইতোমধ্যে আপনাদের সামনে উন্মোচিত হয়েছে। আপনারা দেখেছেন, আপনাদেরকে জিম্মি করে অবৈধ দখলদাররা সীমাহীন দুর্নীতি, মিথ্যাচার ও ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থের নেশায় দেশকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছে। আমাদের সকলের প্রিয় বাংলাদেশ পৃথিবী জুড়ে হয়ে উঠেছে আতঙ্কের এক নাম। ফলে বিশ্বের কোনো দেশ আজ আর বাংলাদেশ ও দেশের মানুষকে সম্মানের চোখে দেখছে না। বিদেশি বিনিয়োগ ও দাতাগোষ্ঠীর নিরাপত্তাহীনতা এবং নৈরাজ্যময় পরিস্থিতির কারণে দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। এই অন্ধকার-যাত্রা থেকে দেশকে আমাদের সকলে মিলে রক্ষা করতে হবে। আসুন, নতুন বছরকে সামনে রেখে, দেশরক্ষার সে অঙ্গীকারে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই। খবর আইবিএননিউজ।তিনি আরোও বলেন,
প্রিয় দেশবাসী, যে বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে মর্যাদার আসনে আসীন করার প্রত্যয় নিয়ে আমার সরকার নিরলসভাবে কাজ করে গেছে, সেই বাংলাদেশের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব ও মুক্তির সংগ্রামী ইতিহাসকে আজ প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে। অতীতে যখনই এমন ক্রান্তিকাল এসেছে তখনই এই জাতি যূথবদ্ধ হয়েছে, শ্রেণি-ধর্ম-বর্ণ-ভাষা ও জাতিগত পরিচয় ভুলে সামষ্টিক স্বপ্ন বাস্তবায়নে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বাংলাদেশের মানুষ চলমান এই দুঃসময়কে আর দীর্ঘতর হতে দিবে না। নতুন বছরেই আমরা তার চূড়ান্ত প্রতিফলন দেখতে পাবো।
প্রাণপ্রিয় দেশবাসী, ২০২৬ সালে আমাদের জাতীয় জীবনে শান্তি ফিরে আসুক; নিরাপত্তা ও সম্প্রীতির মধ্যে প্রতিটি নাগরিকের জীবন উদ্ভাসিত হোক, এই কামনা করে আপনাদের সকলের প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিবাদন জানাচ্ছি। শুভ নববর্ষ ২০২৬!জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক। সূত্র: হাকিকুল ইসলাম খোকন

















