নিউইয়র্কে লায়ন গভর্নর শংকর কুমার রায়কে সম্মাননা: আন্তর্জাতিক কনভেনশন উপলক্ষে বারী স্টেটে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা, লায়নিজমের গ্লোবাল সংযোগে নতুন দিগন্ত
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:
আন্তর্জাতিক লায়নিজমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে নিউইয়র্ক। লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ এ২ বাংলাদেশের ২০২৫-২৬ সালের নির্বাচিত গভর্নর লায়ন শংকর কুমার রায়কে সম্মান জানাতে গত রবিবার নিউইয়র্কের বারী স্টেটে আয়োজিত হলো এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।
আগামী ১২ থেকে ১৮ জুলাই ফ্লোরিডার অরল্যান্ডোতে অনুষ্ঠেয় লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশনে যোগদানের উদ্দেশ্যে শংকর কুমার রায় বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন। এই উপলক্ষে তাঁকে সংবর্ধনা জানান ডিস্ট্রিক্ট ২০ আর২-এর ইনকামিং গভর্নর লায়ন আসেফ বারী এবং তার স্ত্রী ও গভর্নর স্পাউস লায়ন মুনমুন হাসিনা বারী।
বারী স্টেটে আয়োজিত নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন লায়ন শংকর কুমার রায়ের সহধর্মিণী ও লেডি গভর্নর লায়ন স্মৃতি রায়, রিজিয়ন চেয়ারপারসন (HQ & PLDP) লায়ন খন্দকার কামরুল হাসান এমজেএফ এবং লালমনিরহাট হাতীবান্ধা গার্ডেন লায়ন্স ক্লাবের সাবেক সভাপতি লায়ন শামীমা আক্তার। অতিথিদের জন্য ছিল রেড কার্পেট অভ্যর্থনা, সম্মাননা স্মারক ও ‘প্রোক্লোমেশন’ প্রদান এবং লায়ন পিন বিনিময়ের পর্ব—যা আন্তর্জাতিক লায়নিজমের ভ্রাতৃত্বের প্রতীক।
নিউইয়র্ক বাংলাদেশি-আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের সক্রিয় সদস্য লায়ন আসেফ বারী কেবল এই সংবর্ধনার আয়োজকই নন, তিনি নিজেও একই আন্তর্জাতিক কনভেনশনে অংশ নিয়ে ডিস্ট্রিক্ট ২০ আর২-এর গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। এই সম্মেলন বিশ্বব্যাপী লায়ন্স নেতৃবৃন্দের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম, যেখানে অভিজ্ঞতা বিনিময়, নতুন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা এবং বিশ্ব লায়ন্স পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা যায়।
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সেবামূলক সংগঠন লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল বর্তমানে ১২০টিরও বেশি দেশে লক্ষ লক্ষ সদস্য নিয়ে পাঁচটি মূল খাতে সেবা প্রদান করছে , দৃষ্টিশক্তি রক্ষা ,পরিবেশ সংরক্ষণ, ক্ষুধা নিবারণ ,ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ,শৈশবের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই । এছাড়াও সংগঠনটি জাতিসংঘের সঙ্গে অংশীদারিত্বে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য কাজ করছে।
শংকর কুমার রায়ের এই সফর ও সংবর্ধনা কেবল ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং এটি বাংলাদেশের লায়নিজমের আন্তর্জাতিকীকরণের দিকেও এক অনন্য পদক্ষেপ। এই বিনিময় কার্যক্রম বাংলাদেশের লায়ন্স ক্লাবসমূহকে বৈশ্বিক পরিসরে কার্যক্রম ভাগ করে নেয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে সেবামূলক কাজ পরিচালনার পথ খুলে দেবে।



















