অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের ৮৬তম জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক :
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, আলোকিত মানুষ গড়ার অনন্য দৃষ্টান্ত অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ-এর ৮৬তম জন্মদিনে শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও শব্দসিঁড়ির সভাপতি, আবৃত্তিশিল্পী কাজী খালিদ (মিঠু)।
জন্মদিন উপলক্ষে পাঠানো এক শুভেচ্ছাবার্তায় তিনি লেখেন—
“স্যার শুধু একজন শিক্ষক নন, তিনি আমার জীবনের অন্যতম প্রভাবক ও অনুপ্রেরণাদায়ী অনুঘটক। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর প্রত্যক্ষ সান্নিধ্যে কাজ করার সুযোগ ছিল আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অভিজ্ঞতাগুলোর একটি। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ভবন নির্মাণ, মাসিক আসন্ন-এর প্রকাশনা, পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতামূলক আন্দোলন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম, ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগারসহ নানা জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।”
তিনি আরও বলেন, “স্যারের জীবনদর্শন, মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও দায়বদ্ধ জীবনের শিক্ষা আমার চিন্তা, মনন ও সৃজনশীলতাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে একজন মানবিক মানুষ হয়ে ওঠার যে শিক্ষা, তা আমি পেয়েছি স্যারের কাছ থেকেই। তাঁর এই ঋণ এ জনমে শোধ হবার নয়।”
অধ্যাপক সায়ীদের জন্মদিন উপলক্ষে কাজী খালিদ ভবিষ্যতের আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আসুন, আমরা সহিংসতা ও বিভক্তির রাজনীতি পরিহার করে একটি মানবিক, বিবেকবান ও আলোকিত সমাজ গঠনে সক্রিয় হই—‘আমরা পরিবর্তন চাই পরিবর্তন’ এই আহ্বানে।”
জন্মদিন উপলক্ষে এক স্মৃতিচারণে তিনি আরও উল্লেখ করেন, “স্যারের মাধ্যমে আমি পরিচিত হই অনেক খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বের সঙ্গে—ড. আতিউর রহমান, কবি মান্নান সৈয়দ, সমুদ্র গুপ্ত, রুমি আলী, খায়রুল আলম সবুজ, মিতা হক, আমিরুল ইসলাম, শাহ আলম সারওয়ার প্রমুখ, যাঁরা আমার বোধ ও ভাবনার জগৎ সমৃদ্ধ করেছেন।”
উল্লেখ্য, অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছেন আলোকিত মানুষ তৈরির কাজে। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তরুণদের পাঠাভ্যাস, নৈতিকতা ও মানবিকতার চর্চার এক অপূর্ব প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত।
সূত্র: কাজী খালিদ মিঠু এর FBP .



















