Logo

আন্তর্জাতিক    >>   আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন: জোহরান মামদানি

আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন: জোহরান মামদানি

আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন: জোহরান মামদানি

প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:

নিউইয়র্কের রাজনীতিতে এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের  মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন জোহরান মামদানি। জোহরান মামদানি ঘোষণা করেন, “আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন”- মামদানির এই ঘোষণা দিয়ে স্পষ্ট করেছেন যে তার রাজনীতি কেবল বিকল্প নয়, বরং ট্রাম্পীয় নীতিতে সরাসরি আঘাত। একাধারে প্রগতিশীল, মুসলিম, অভিবাসী ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি থেকে উঠে আসা এই তরুণ রাজনীতিক নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম মেয়র হওয়ার দোরগোড়ায়।

এরই মধ্যে ট্রাম্প নিজে বুধবার (২৫ জুন) তার মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে জোহরান মামদানিকে আক্রমণ করে বলেন, তিনি একজন ‘পাগলাটে কমিউনিস্ট’। আসুন জেনে নিই মামদানি কেন ট্রাম্পের ‘সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন’ হয়ে উঠেছেন।

আরো পড়ুন:  নিউইয়র্ক সিটির সম্ভাব্য তরুণ মেয়র কে এই জোহরান মামদানি?

ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক পরিচিতির বড় অংশ জুড়ে আছে তার বিপুল সম্পদ ও মিডিয়া উপস্থিতি। ট্রাম্পের সম্পদ যেখানে বিলিয়ন ডলারের, মামদানি সেখানে স্বচ্ছ ও সীমিত আর্থিক প্রোফাইলের প্রতিনিধি। তার সর্বোচ্চ ৩ লাখ ডলারের সম্পদ, যার মধ্যে রয়েছে উগান্ডায় চার একর জমি।

তার আয়ের প্রধান উৎস নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলির বার্ষিক বেতন ও অতীতের র‍্যাপার পরিচয় থেকে প্রাপ্ত ক্ষুদ্র রয়্যালটি। কোনো বড় ব্যবসা বা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ নেই। মামদানির রাজনৈতিক মূলধন হলো মানুষের আস্থা।

এরই মধ্যে ৭০ লাখ ডলারেরও বেশি অর্থসংগ্রহ করেছেন ১৬ হাজারের বেশি সাধারণ দাতার কাছ থেকে, যাদের অধিকাংশই নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির।মামদানি চান- বিনা ভাড়ার গণপরিবহন, বাড়িভাড়ার সীমা নির্ধারণ, ধনীদের ওপর বেশি কর ও বৃহৎ সামাজিক আবাসন প্রকল্প। এসবই ট্রাম্পের বাজারমুখী, করছাড় ও কড়া আইন-শৃঙ্খলা নীতির পুরো বিপরীত।

মামদানির রাজনীতির কেন্দ্রে রয়েছে অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ, অভিবাসীদের অধিকার রক্ষা ও সংহতির বার্তা। অন্যদিকে, ট্রাম্পের রাজনীতি একটু কঠোর, সীমান্ত নিরাপত্তা ও প্রগতিশীল সংস্কারগুলোর বিপরীতে, যা আসলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থেই। সূত্র: ইকোনমিক টাইমস