টরন্টোয় হৃদয় ছুঁয়ে গেল ‘রবীন্দ্রসন্ধ্যা’— ফাহিম হোসেন চৌধুরীর কণ্ঠে সংগীতের অপার মাধুর্য
প্রজ্ঞা নিউজ, টরন্টো:
গভীর শ্রদ্ধা, সুরের পরিশীলিত সৌন্দর্য আর আত্মিক আবেগে ভরপুর এক অনন্য সংগীত সন্ধ্যার সাক্ষী হলো কানাডার টরন্টোবাসী। গত শনিবার (২১জুন) টরন্টোর বাংলাদেশ সেন্টার অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হলো রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্হা কানাডা আয়োজিত এক অসাধারণ সংগীতানুষ্ঠান, যেখানে প্রধান পরিবেশনায় ছিলেন প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী ফাহিম হোসেন চৌধুরী।
আলো-ছায়ায় মোড়ানো শালীন মঞ্চে শিল্পী উপস্থিত হয়ে যখন পরিবেশন শুরু করলেন “আনন্দধারা বহিছে ভুবনে”, তখন থেকেই যেন আবেগের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে সারা মিলনমেলায়। তার কণ্ঠে একে একে বেজে উঠল প্রেম, প্রকৃতি, ভক্তি ও বিচ্ছেদের গান— প্রতিটি পরিবেশনায় ছিল নিখুঁত উচ্চারণ, আবেগের সংযম, আর শিল্পসুলভ গায়কীর উজ্জ্বল প্রকাশ।
রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্হা কানাডার সভাপতি চিত্রা সরকার ও বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী জীবিনা সঞ্চিতা , নজরুল মিন্টু ।
দর্শকরা কেউ চোখ বন্ধ করে, কেউ বা সুরে গলা মিলিয়ে উপভোগ করেন এই পরম সংগীতযাত্রা। দীর্ঘ দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে একটানা পরিবেশনার পরেও শিল্পীর কণ্ঠে ক্লান্তির লেশমাত্র দেখা যায়নি। “তুমি রবে নিরবে”, “আমার মুক্তি আলোয় আলোয়”, “আকাশ ভরা সূর্যতারা”—এমন বহু হৃদয়গ্রাহী পরিবেশনা দর্শকশ্রোতাদের মনে গভীর ছাপ রেখে যায়। অনুষ্ঠান শেষে আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে সভাপতি চিত্রা সরকার ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
তিনি বলেন, “রবীন্দ্রসংগীত শুধু একটি সঙ্গীতধারা নয়, এটি এক সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার। কানাডার প্রজন্মদের মাঝে এর বিস্তার ঘটাতেই আমাদের এই প্রয়াস।”তিনি আগামী দিনগুলোতেও এ ধরনের অনুষ্ঠান অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন। জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে সন্ধ্যার আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘটে। দর্শকদের চোখেমুখে ছিল গভীর তৃপ্তি, আবেগ ও কৃতজ্ঞতার মিশেল—সত্যিকার অর্থেই একটি সন্ধ্যা যা শুধু গান নয়, আত্মিক জার্নির সাক্ষ্য বহন করে। সূত্র:- নজরুল মিন্টু , কানাডা



















