নিউইয়র্কে বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার ভেটেরান্স ১৯৭১ ইউএসএ’র আয়োজনে স্বাধীনতা দিবস—মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যের অঙ্গীকার
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:
নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার ভেটেরান্স ১৯৭১ ইউএসএ মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দেশাত্মবোধক গান, কবিতা আবৃত্তি, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ ও অতিথিদের বক্তব্যে মুখর ছিল পুরো অনুষ্ঠান।
গত শুক্রবার (২৭ মার্চ ২০২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি হলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ স্বাধীনতার স্বপক্ষের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে এক মিলনমেলার পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা খান মিরাজ এবং সঞ্চালনা করেন মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খুরশিদ আনোয়ার বাবলু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, উপদেষ্টা ও সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন, আওয়ামী লীগ নেতা সাহানারা রহমান, আকতার হোসেনসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি, ইসমাইল খান আনসারী, হেলাল মজিদ, মিজানুর রহমান চৌধুরী, সাঈদুর রহমান সাঈদ, কবি অবিনাশ আচার্য্য, জাকির হোসেন হিরু ভূঁইয়া এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সংগীতশিল্পী তাজুল ইমাম। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ড. সেলিনা আফরীন রিতা, টি. মোল্লা, শহিদুল ইসলাম, আজহারুল ইসলাম চৌধুরী মুছাসহ আরও অনেকে।
বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানেই বাংলাদেশ—তাঁকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস কল্পনাও করা যায় না। তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং মহান ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ ও বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
সাংস্কৃতিক পর্বে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করে মুগ্ধ করেন তাজুল ইমাম, দিনাত জাহান মুন্নি, আল আমিন বাবু, কবি সালেহা ইসলাম ও ড. সেলিনা আফরীন রিতা। আবেগঘন কবিতা আবৃত্তি করেন মুমু আনসারী, যা উপস্থিত দর্শকদের গভীরভাবে স্পর্শ করে।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয়।
সূত্র: হাকিকুল ইসলাম খোকন।


















