Logo

আন্তর্জাতিক    >>   অবৈধ সরকারের ব্যর্থতায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের চরম অপমান

অবৈধ সরকারের ব্যর্থতায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের চরম অপমান

অবৈধ সরকারের ব্যর্থতায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের চরম অপমান

প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক :
বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন লজ্জাজনক এক অধ্যায় রচিত হলো জাতিসংঘে। ৮০তম সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিতে প্রতিনিধি দল উপস্থিত থাকলেও জাতিসংঘ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার বিশ্বমঞ্চে এমন অপমানের মুখোমুখি হলো বাংলাদেশ। কারণ স্পষ্ট—জাতিসংঘসহ বিশ্ব এখন জানে, বাংলাদেশের বর্তমান শাসকগোষ্ঠী অবৈধ, সংবিধানবিরোধী এবং সম্পূর্ণ অযোগ্য।
যে সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়, যে সরকার ক্ষমতায় টিকে আছে লুটপাট, দুর্নীতি আর বিদেশি প্রভুদের স্বার্থরক্ষার মাধ্যমে—তাদের জন্য পতাকা না তোলাই যেনো ছিল অবশ্যম্ভাবী। বিশ্ব আজ বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে অসম্মান করেনি, বরং প্রত্যাখ্যান করেছে এই দখলদার গোষ্ঠীকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য, দেশের অনেক সাধারণ মানুষ এখনো বুঝতে পারছে না এই অপমানের গভীর তাৎপর্য।
দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়ছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরমভাবে অবনত, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা পালিয়ে যাচ্ছে—তারপরও অবৈধ সরকার ক্ষমতার আসনে আঁকড়ে বসে আছে। বাংলাদেশ এখন আসলে নয়, বরং একদল দুর্নীতিবাজ, জঙ্গীপ্রবণ ও রাষ্ট্রদ্রোহী দখলদারের হাতে জিম্মি হয়ে আছে।
জাতিসংঘের এই সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলো—বাংলাদেশের মানুষ সম্মানের যোগ্য, কিন্তু এই অবৈধ শাসকগোষ্ঠী নয়। আন্তর্জাতিক পরিসরে সরকার নয়, বরং জনগণকেই মর্যাদার আসনে বসানো হয়েছে। অথচ এই অবৈধ সরকার দেশের নাম কলঙ্কিত করছে, জনগণের মাথা হেয় করছে, আর বাংলাদেশকে ক্রমাগত ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
এখন সময় এসেছে জনগণের জেগে ওঠার। যদি অবৈধ শাসকদের ক্ষমতা থেকে উৎখাত করা না যায়, তবে বাংলাদেশ আরও অপমানিত হবে, আরও ধ্বংসের পথে যাবে। এই দখলদার গোষ্ঠীর হাতে দেশ নিরাপদ নয়। একটাই পথ—জনগণের রায়ে প্রতিষ্ঠিত একটি বৈধ, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তোলা। তখনই আবার বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বিশ্বসভায়।
সূত্র: হাকিকুল ইসলাম খোকন