২০০১-২০০৬ বিএনপি-জামায়াতের আমলে রক্তে রঞ্জিত বাংলাদেশ: সন্ত্রাস, হত্যা, দুর্নীতি, সংখ্যালঘু নিপীড়ন আর রাষ্ট্রীয় জঙ্গিবাদের ভয়াল চিত্র
মিজানুর রহমান খান, সভাপতি, জার্মান আওয়ামী লীগ:
বিএনপি-জামায়াত শাসনের সময় বাংলাদেশে চলেছিল এক দুঃস্বপ্নের শাসন। হত্যা, ধর্ষণ, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিতে জর্জরিত সেই সময়ের কিছু নির্মম চিত্র তুলে ধরা হলো:
আইভি রহমান, শাহ্ এএমএস কিবরিয়া, আহসানুল্লাহ মাস্টার, মমতাজ, গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী, অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ, অধ্যাপক ইউনুস, ডাক্তার মোজাম্মেল – সকলেই রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা
একযোগে ৫০০ জায়গায় গ্রেনেড হামলা
ময়মনসিংহ সিনেমা হলে গ্রেনেড বিস্ফোরণ
বাশখালীতে ১৩ জন হিন্দুকে পুড়িয়ে হত্যা
বানিয়ার চরের গির্জায় গ্রেনেড হামলা
বাংলা ভাই, উর্দু ভাই, জেএমবি – রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট জঙ্গি উত্থান
১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা
বগুড়ার কাহালুতে আড়াই লাখ গুলি উদ্ধার
ময়মনসিংহে পরিত্যক্ত আড়াই লাখ গুলি উদ্ধার
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার খুন
হাওয়া ভবন, খাম্বা মামুন, কালো চশমা হারিছ, বাবর, জাহাঙ্গীর – দুর্নীতির প্রতীক
খালেদা জিয়া ৪০০ সুটকেস নিয়ে বিদেশে পাড়ি
তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় ২৮ হাজার কোটি টাকা পাচার
দেশ চারবার দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন
২০ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা
শিবিরকরণে প্রশাসন রূপান্তর – বিসিএস প্রশ্ন ফাঁস, সেনাবাহিনী পর্যন্ত ছাত্রদল কর্মীদের নিয়োগ
বিশ্ববিদ্যালয় দখল করে ছাত্র হত্যা, সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য
সারাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর বর্বর নির্যাতন, দেশত্যাগে বাধ্য করা
রাজশাহীসহ দেশে শত শত হিন্দু নারী ধর্ষণের শিকার
নিজের মায়ের সামনে হিন্দু মেয়ের ওপর গণধর্ষণ
অপারেশন ক্লিন হার্ট ও র্যাবের নামে আওয়ামী কর্মী নিধন
প্রশাসনে জামায়াতের তিনস্তর বিশিষ্ট প্রতিরক্ষা ব্যূহ তৈরি
এসপি কহিনুরদের উত্থান, সর্বহারাদের দমন নামে গণহত্যা
এটাই বিএনপি-জামায়াতের রক্তাক্ত শাসনকাল।
তখন স্মার্টফোন ছিল না, তাই এসব নির্মম বাস্তবতা বিশ্বের সামনে আসে নাই।
আজ ডিজিটাল বাংলাদেশে সব অন্যায়ের মুখোশ উন্মোচিত।
আমরা ভুলিনি, আমরা প্রতিরোধ করি।
মিজানুর রহমান খান, সভাপতি, জার্মান আওয়ামী লীগ



















