ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ইস্যুতে কূটনৈতিক সমাধান চান: মার্কো রুবিও
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্টভাবে বলেছেন যে তিনি ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধান পছন্দ করেন। কিন্তু ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি পুনঃবিকাশের চেষ্টা করছে। মার্কো রুবিও বলেন, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করার পর, তাদের বলা হয়েছিল যে তারা এটি পুনরায় চালু করার চেষ্টা করবে না। আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে, তারা সর্বদা এর উপাদানগুলো পুনর্নির্মাণের চেষ্টা করছে। তারা এখনই সমৃদ্ধ করছে না, তবে তারা শেষ পর্যন্ত এমন পর্যায়ে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে যেখানে তারা শেষ পর্যন্ত করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ইরানের কাছে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ এবং মিত্রদের লক্ষ্যবস্তু করতে পারে এবং জাহাজ চলাচলের জন্য হুমকিস্বরূপ এবং যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করছে। ইরান বারবার বলছে যে, তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আলোচনার জন্য উপযুক্ত নয়। মার্কো রুবিও বলেন, আমি মনে করি না কূটনীতি কখনো টেবিলের বাইরে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধান চান। তিনি সেগুলো পছন্দ করেন। তিনি আশা করেন যে জেনেভায় আলোচনা ফলপ্রসূ হবে।
এদিকে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় তৃতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনায় বসছেন আমেরিকান ও ইরানি কর্মকর্তারা। এই আলোচনাকে সংঘাতরোধের শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবে চুক্তির সম্ভাবনা এখনো অস্পষ্ট। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর ইরাক আক্রমণের পর মধ্যপ্রাচ্যে সব থেকে বড় সেনা সমাবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ইরানও এই আক্রমণের জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। এমন একটি পরিস্থিতিতে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প যদিও বলেছেন যে তিনি কূটনীতির মাধ্যমে সংকট সমাধান করতে পছন্দ করেন। তবে ইরানের নেতাদের চুক্তি মেনে নিতে চাপ দেওয়ার জন্য দেশটির ওপর সীমিত পরিসরে হামলার কথা বিবেচনা করছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ট্রাম্প আসন্ন দিনগুলোতে ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড (আইআরজিসি) বা পারমাণবিক স্থাপনার ওপর প্রাথমিক হামলার কথা বিবেচনা করছিলেন, যাতে দেশটির নেতাদের ওপর চাপ বাড়ানো যায়। সূত্র: জাগোনিউজ


















