জাতীয়তাবাদী আদর্শে নতুন গণতান্ত্রিক প্ল্যাটফর্ম ‘দেশে-দশে’ শিগগিরই আত্মপ্রকাশ
আব্দুস সালাম ভূঁইয়া:
বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক চেতনা ও উদার গণতন্ত্রের ধারাকে আরও শক্তিশালী করতে খুব শীঘ্রই আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে একটি নতুন সামাজিক ও গণতান্ত্রিক প্ল্যাটফর্ম—“দেশে-দশে গণতান্ত্রিক সংগ্রাম”। জাতীয়তাবাদী আদর্শে অনুপ্রাণিত মানবাধিকারকর্মী ও একটিভিস্ট আব্দুস সালাম ভূঁইয়া-এর আহ্বানে এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে গণতন্ত্রকামী যুবসমাজকে সঙ্গে নিয়ে এই প্ল্যাটফর্মের যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে।
আব্দুস সালাম ভূঁইয়া বলেন, জাতীয়তাবাদ কেবল একটি রাজনৈতিক দর্শন নয়—এটি একটি গভীর চেতনা। বাংলাদেশের রাজনীতিতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান উদার গণতন্ত্রের প্রবর্তক হিসেবে সচেতন, শিক্ষিত ও সৎ মানুষের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। একইভাবে মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী সারাজীবন নিপীড়িত, নির্যাতিত কৃষক-শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ে দেশি-বিদেশি আগ্রাসন ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গণতন্ত্রকামী মানুষের রাজনৈতিক গুরু হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন। তাঁর রাজনীতিতে ছিল না ভোগ-বিলাস, ক্ষমতার দাপট কিংবা পদ-পদবীর লোভ।
তিনি আরও বলেন, আজও দেশের বিপুল সংখ্যক সৎ, যোগ্য ও আদর্শবাদী তরুণ সমাজ সমাজে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় শত ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও মানবকল্যাণে নিজেদের পুরোপুরি সম্পৃক্ত করতে পারছে না। এই বাস্তবতা থেকেই শহীদ জিয়া ও মাওলানা ভাসানীর আদর্শ অনুসরণ করে একটি আধুনিক, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও মানবিক সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই “দেশে-দশে” প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন এই গণতান্ত্রিক প্ল্যাটফর্ম ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণিভেদাভেদের ঊর্ধ্বে উঠে সকল মানুষের অধিকার রক্ষা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করবে। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ শহীদ জিয়ার আদর্শের প্রকৃত সৈনিকদের ঐক্যবদ্ধ করে উদার গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণই এর মূল লক্ষ্য।
‘দেশে-দশে গণতান্ত্রিক সংগ্রাম’ প্ল্যাটফর্মের মূল প্রতিপাদ্য—
“দেশের জন্য করব কাজ,
দশে মিলে শপথ আজ।”
আয়োজকদের মতে, খুব শীঘ্রই আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশের মধ্য দিয়ে এই প্ল্যাটফর্ম গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য একটি নতুন আশার ঠিকানা হয়ে উঠবে। সূত্র: আব্দুস সালাম ভূঁইয়া (মানবাধিকারকর্মী ও একটিভিস্ট)


















