তারেক রহমানের নেতৃত্বে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যাশা — চিন্ময় প্রভুর মুক্তি ও সনাতনীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের সংখ্যালঘু সনাতনী সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। একাধিক ঘটনায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ তুলে বিভিন্ন সনাতনী ব্যক্তিত্ব ও সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে ।এ অবস্থায় ধর্মগুরু চিন্ময় প্রভুর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কথিত মিথ্যা মামলা অবিলম্বে খারিজ করে তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানানো হচ্ছে।
সনাতনী সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, ধর্মীয় পরিচয় বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কারণে কাউকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হলে তা কেবল ব্যক্তি-অধিকার নয়, সংবিধানপ্রদত্ত নাগরিক অধিকারেরও পরিপন্থী। তারা বলেন, বিচারব্যবস্থা যেন কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক চাপে প্রভাবিত না হয়ে নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে—এটাই সময়ের দাবি।
এদিকে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিজয়ের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে ন্যায্যতার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, নতুন সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় নিরপেক্ষ ভূমিকা রেখে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা ও সুবিচার নিশ্চিত করবে।
বিশেষজ্ঞ মহল মনে করেন, “ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত” শিরোনামে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর যথাযথ পর্যালোচনা জরুরি। যদি এসব মামলার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, ব্যক্তিগত বিদ্বেষ বা সামাজিক প্রতিহিংসা থেকে থাকে, তবে তা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে বাতিল করা উচিত। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচার বিভাগকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে, যাতে প্রকৃত অপরাধী ও নির্দোষ ব্যক্তির মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য নির্ধারণ করা যায়।
সনাতনী নেতৃবৃন্দের বক্তব্য অনুযায়ী, দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হলে ভয়ের সংস্কৃতি দূর করতে হবে। অন্যায়ভাবে হয়রানির শিকার ব্যক্তিদের মুক্তি দিয়ে রাষ্ট্রকে একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে হবে—বাংলাদেশে ন্যায়বিচার সকলের জন্য সমান।
ধর্মীয় স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং আইনের শাসন—এই তিনটি ভিত্তির উপর দাঁড়িয়েই একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র শক্তিশালী হয়। তাই চিন্ময় প্রভুসহ সকল নির্দোষ সনাতনীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের মুক্তি এখন শুধু একটি দাবি নয়, বরং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য শর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


















