নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন: শেখ হাসিনার ফোনালাপ ঘিরে নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক :
নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন রেস্টুরেন্ট ও পার্টি হলে গত ৪ জানুয়ারি (রবিবার) বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৌরবময় ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে। “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু”, “শেখ হাসিনা” স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠানস্থল।
অনুষ্ঠানে একে একে সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। পরে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও ছাত্রলীগের ঐতিহাসিক ভূমিকা ও অবদানের কথা তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, ছাত্রলীগ শুধু একটি ছাত্রসংগঠন নয়, এটি দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বহনকারী একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম।
রাত আনুমানিক ১০টার দিকে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ফোনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন। তার বক্তব্য শুরু হতেই নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও আবেগের সৃষ্টি হয়। শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশ একসময় উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। রাস্তাঘাট, সেতু, বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জনগণের নিরাপত্তাসহ সব ক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় ছিল।
তিনি বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, “শোধখোর ইউনুস সরকার দেশটিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, সংখ্যালঘু ও নিরীহ মানুষের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে, হত্যা করা হচ্ছে, বিচারব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।” এ ধরনের আরও বক্তব্যে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ তার সঙ্গে কথা বলেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠনের অনুমতি চান। শেখ হাসিনা এতে সম্মতি দিলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা পুনরায় স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন অনুষ্ঠানস্থল।
পরবর্তীতে শেখ হাসিনার অনুমতি নিয়েই কেক কাটার মাধ্যমে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিক উদযাপন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানটি ছাত্রলীগের ঐতিহ্য ও সাংগঠনিক শক্তি পুনর্ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে সফলভাবে শেষ হয়।


















