Logo

ইউএসএ নিউজ    >>   নভেম্বরের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বিজয়ের আহ্বান টম সুয়াজির, র‍্যালিতে বাংলাদেশি নেতাদের অংশগ্রহণ

নভেম্বরের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বিজয়ের আহ্বান টম সুয়াজির, র‍্যালিতে বাংলাদেশি নেতাদের অংশগ্রহণ

নভেম্বরের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বিজয়ের আহ্বান টম সুয়াজির, র‍্যালিতে বাংলাদেশি নেতাদের অংশগ্রহণ

প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক , হাকিকুল ইসলাম খোকন: 

নিউইয়র্কে আসন্ন মার্কিন কংগ্রেস নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কংগ্রেসম্যান টম সুয়াজির সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী র‍্যালি ও পিকনিক পার্টিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। গত ৩০ আগস্ট ২০২৬, রোববার দুপুর ১টায় নিউইয়র্কের রোসলিনে ৩৭ মিনিওলা এভিনিউতে অবস্থিত পিয়ার্স কান্ট্রি ডে ক্যাম্পে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে মূলধারার রাজনীতির পাঁচ শতাধিক নেতা, নির্বাচিত প্রতিনিধি, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ী অংশ নেন। বাংলাদেশি কমিউনিটি থেকে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাপসনিউজ সম্পাদক, সিনিয়র সাংবাদিক ও লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকন, ক্লিনটন ডেমোক্রেটিক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ডেলওয়ার মানিক এবং নিউহাইড পার্কের লায়ন্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, সাংবাদিক ও লায়ন আহমেদ সোহেল।

অনুষ্ঠানে জেফারসন ডেমোক্রেটিক ক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ ডেবি মার্কেল, ডেব ফিশার এবং মূলধারার বিভিন্ন নির্বাচিত প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যে কংগ্রেসম্যান টম সুয়াজি আগামী ৩ নভেম্বর ২০২৬-এর নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কংগ্রেসসহ বিভিন্ন নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে ভোটারদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। বিশেষ করে নভেম্বরের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বক্তব্য শেষে উপস্থিত অতিথিদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন কংগ্রেসম্যান সুয়াজি। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধিদের উপস্থিতির জন্য তিনি হাকিকুল ইসলাম খোকন, ডেলওয়ার মানিক ও আহমেদ সোহেলকে ধন্যবাদ জানান এবং নিউইয়র্কের বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটির বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের প্রশংসা করেন।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের জন্য দুপুরের খাবার, পিজা, স্ন্যাকস ও চা-চক্রের আয়োজন করা হয়। রাজনৈতিক র‍্যালি ও পিকনিকের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে আসন্ন নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে সমর্থন জোরদার করার পাশাপাশি বিভিন্ন কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মূলধারার রাজনৈতিক নেতৃত্বের যোগাযোগ আরও দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।