Logo

আন্তর্জাতিক    >>   যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১১৭ কার্গো এলএনজি কিনবে বাংলাদেশ সরকার, চুক্তি ১২ বছরের

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১১৭ কার্গো এলএনজি কিনবে বাংলাদেশ সরকার,  চুক্তি ১২ বছরের

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১১৭ কার্গো এলএনজি কিনবে বাংলাদেশ সরকার, চুক্তি ১২ বছরের

যুদ্ধের প্রভাব: জরুরি গ্যাস চাহিদা মেটাতে ৪ প্রতিষ্ঠান থেকে এলএনজি কিনবে বাংলাদেশ

প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যে বাংলাদেশে গ্যাসের নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করতে চারটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

এর মধ্যে সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান গানভর ইউএসএ এলএলসি থেকে ২০২৬ থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত মোট ১১৭ কার্গো এলএনজি কেনা হবে। পাশাপাশি সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে যুক্তরাজ্য, ওমান ও হংকংয়ের তিন প্রতিষ্ঠান থেকে আরও ছয় কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে এলএনজি ক্রয়ের প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করা হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের ব্ল্যাককিউব ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড থেকে দুই কার্গো এলএনজি প্রতি এমএমবিটিইউ ১৫ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার দরে কেনা হবে। ওমানের ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনাল এসপিসি থেকে আরও দুই কার্গো এলএনজি কেনা হবে জেকে এম সূচকের সঙ্গে প্রতি এমএমবিটিইউ শূন্য দশমিক ৫৪ আমেরিকান ডলার যোগ করে।

এ ছাড়া হংকংয়ের ঝেনইউ শিপিং কোম্পানি লিমিটেড থেকে ২০২৬ সালে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে দুই কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি এমএমবিটিইউ ১৪ দশমিক ৯৫ মার্কিন ডলার।

দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের গানভর ইউএসএ এলএলসি থেকে ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত মোট ১১৭ কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ২০২৬ সালে পাঁচ কার্গো, ২০২৭ সালে ছয় কার্গো এবং ২০২৮ সালে তিন কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এসব কার্গোর মূল্য নির্ধারণ করা হবে জেকে এম সূচকের সঙ্গে প্রতি এমএমবিটিইউ শূন্য দশমিক ০৮৭৫ মার্কিন ডলার যোগ করে।

এ ছাড়া ২০২৮ সালে আরও তিন কার্গো এবং ২০২৯ থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর ১০ কার্গো করে এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব এলএনজির মূল্য নির্ধারণ করা হবে ১২১ শতাংশ এইচএইচ সূচকের সঙ্গে ৫ দশমিক ২০ মার্কিন ডলার যোগ করে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা ও চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় স্বল্পমেয়াদি ক্রয়ের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে এলএনজি সংগ্রহ করে দেশের গ্যাসের চাহিদা পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সূত্র: জাগোনিউজ