Logo

আন্তর্জাতিক    >>   জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টির

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টির

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টির

প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক :
বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি (বিজিপি) সরকারের ঘোষিত অকটেন, কেরোসিন ও পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। সোমবার (১ জুন ২০২৬) এক বিবৃতিতে দলের সভাপতি এম এ আলীম সরকার এ প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, সরকার পুনরায় প্রতি লিটার অকটেন, কেরোসিন ও পেট্রোলের দাম ৫ টাকা বৃদ্ধি করেছে, যা সাধারণ মানুষের ওপর নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি শুধু পরিবহন খাতেই সীমাবদ্ধ থাকে না; এর সরাসরি প্রভাব পড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য, কৃষি উৎপাদন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়।
এম এ আলীম সরকার বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে জনগণ এমনিতেই উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চাপে রয়েছে। এর মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি জনগণের দুর্ভোগকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় পণ্য পরিবহনের খরচ বেড়ে যাবে, যার প্রভাব বাজারে খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামের ওপর পড়বে।
তিনি আরও বলেন, এ মূল্যবৃদ্ধির ফলে কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের পকেট থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হবে। এতে তাদের জীবনযাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ, কৃষক, শ্রমিক এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
বিবৃতিতে কেরোসিনের মূল্যবৃদ্ধিকে গ্রামীণ ও নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষভাবে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, দেশের অনেক পরিবার এখনও আলো ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে কেরোসিনের ওপর নির্ভরশীল। ফলে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বৃদ্ধি পাবে।
বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, সাধারণ জনগণের স্বার্থ এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার কথা বিবেচনা করে অকটেন, কেরোসিন ও পেট্রোলের বর্ধিত মূল্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে জনগণের কষ্ট লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জ্বালানি খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
বিবৃতির শেষে বলা হয়, সাধারণ জনগণের ন্যায্য স্বার্থ রক্ষা এবং তাদের দুর্ভোগ কমানো রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। তাই কৃষক-শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের জীবনমানের কথা বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হচ্ছে।
অমূল্য কুমার বৈদ্য, সাধারণ সম্পাদক—বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি (বিজিপি)