শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন মানেই নারী জাগরণের নতুন সূর্যোদয়—প্রাইমা হোসাইন
প্রাইমা হোসাইন:
বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনা এমন একটি নাম, যা অনেক মানুষের কাছে উন্নয়ন, নেতৃত্ব ও রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতার প্রতীক। লেখক হিসেবে আমার বিশ্বাস, দেশের এই সংকটময় সময়ে তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কেবল একজন রাজনৈতিক নেতার ফিরে আসাই নয়, বরং নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা পুনরুদ্ধারের এক নতুন সম্ভাবনার সূচনা হতে পারে।
আমার মূল্যায়নে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নারীর নিরাপত্তা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছিল। তাঁর সরকারের সময়ে নারী ও শিশু সুরক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন উদ্যোগ, নারীদের শিক্ষা বিস্তার, সরকারি ও বেসরকারি কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় সরকার থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ে নারীর নেতৃত্বের সুযোগ সম্প্রসারিত হয়েছে।
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও নারীদের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল। তৈরি পোশাক শিল্পে লাখো নারীর কর্মসংস্থান, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা হিসেবে নারীদের ঋণ ও প্রশিক্ষণের সুযোগ, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থানের প্রসার এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের বিভিন্ন উদ্যোগ নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে আমি মনে করি।
একই সঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষার ক্ষেত্রেও নারীবান্ধব নানা কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়েছিল। শিক্ষাবৃত্তি, মাতৃত্বকালীন সহায়তা, নারীর স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রযুক্তি শিক্ষায় অংশগ্রহণ বৃদ্ধির উদ্যোগগুলো বহু নারীর জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক হয়েছে—এমনটাই আমার বিশ্বাস।
আজ দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় অনেকেই স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের প্রশ্নে শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে আবারও প্রাসঙ্গিক বলে মনে করছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, তাঁর প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং নারীর ক্ষমতায়নের ধারাবাহিকতা আরও শক্তিশালী হবে।
আমার বিশ্বাস, যে বাংলাদেশে নারী হবে আরও নিরাপদ, আরও শিক্ষিত, আরও আত্মবিশ্বাসী এবং আরও ক্ষমতায়িত—সেই বাংলাদেশ গড়ার অভিযাত্রায় শেখ হাসিনার নেতৃত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
প্রাইমা হোসাইন,
বিশিষ্ট সমাজসেবিকা ও সংগঠক
মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের কর্মী ।



















