যুদ্ধের মধ্যেই তিনগুণ বেড়েছে ইরানের ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতা: তেহরান
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক যুদ্ধের সময় ইরানের ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতা তিনগুণ বেড়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ ইবন আল-রেজা এ তথ্য জানিয়েছেন বলে শনিবার (১১ জুলাই) সংবাদ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ।
আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি ২০২৫ সালের জুনে সংঘটিত ১২ দিনের যুদ্ধ এবং ‘রমজান যুদ্ধ’ নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ১৫০টিরও বেশি শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সহায়তা এবং অত্যাধুনিক সামরিক সক্ষমতা নিয়ে অভিযানে অংশ নিলেও তাদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।
ইবন আল-রেজার ভাষ্য, সর্বোচ্চ নেতার নেতৃত্ব, সশস্ত্র বাহিনীর কৌশলগত সক্ষমতা এবং জনগণের সমর্থনের কারণেই ইরান প্রতিপক্ষের চাপ মোকাবিলা করতে পেরেছে। তিনি আরও বলেন, শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন কমান্ডার নিহত হওয়ার পরও ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন ও উদ্ভাবনী কৌশল প্রয়োগ করেছে। সংঘাতের সবচেয়ে তীব্র সময়েও দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে উৎপাদন বন্ধ হয়নি। বরং ওই সময়ে ড্রোন উৎপাদন সক্ষমতা তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ইরানের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির উন্নয়নে এক ধরনের অনুঘটকের ভূমিকা পালন করেছে। শত্রুপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে সেগুলোকে কাজে লাগানোর ফলেই এ অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এছাড়া যুদ্ধে নিহতদের জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণকে তিনি জাতীয় ঐক্য ও নতুন প্রতিরোধ শক্তির প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ইরানকে আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টা সফল হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। সূত্র: আইআরএনএ



















