ফ্রান্সের অবেরভিলিয়ার্সে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের স্বপ্ন আরও উজ্জ্বল—বাংলা সংস্কৃতির আয়োজনে ফরাসি জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্টজনদের উপস্থিতি; আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক :
“সেদিন আর বেশি দূরে নয়, যেদিন ফ্রান্সের অবেরভিলিয়ার্স শহর বাংলা নববর্ষের রঙে রঙিন হয়ে উঠবে”— এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আয়োজকরা। বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ফরাসি সমাজে আরও বিস্তৃতভাবে পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত এক সাংস্কৃতিক আয়োজনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের আন্তরিক উপস্থিতি অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যোগ করে।
অনুষ্ঠান সফলভাবে আয়োজনের পেছনে সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণার জন্য আয়োজকরা ফ্রান্সের অবেরভিলিয়ার্স সিটি প্রশাসনের বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
এ উপলক্ষে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানানো হয় অবেরভিলিয়ার্সের প্রথম ডেপুটি মেয়র নাবিলা জেব্বারি, দ্বিতীয় ডেপুটি মেয়র গিয়োম লেস্কো, চতুর্থ ডেপুটি মেয়র উইলফ্রিড সেরিজিয়ে, অবেরভিলিয়ার্সের ভাষা ও সংস্কৃতি কেন্দ্রের সাবেক সভাপতি কার্লোস সেমেদো, ভিল দে মিউজিক দু মঁদ–এর পরিচালক কামেল দাফরি, অবেরভিলিয়ার্স সিটি হলের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রালফ হফম্যান, বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ড্যানিয়েল কাইতু (CAPA), সমবায় ও সামাজিক অর্থনীতি এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনবিষয়ক মিশন কর্মকর্তা ক্রিস্টোফ লাপ্লাস-ক্লাভেরি, এমএলসিএ-এর সমন্বয়কারী জর্জ ঘিকা, ফরাসি কমিউনিস্ট পার্টির অবেরভিলিয়ার্স শাখার সম্পাদক রজার কালকাগনি এবং মেলোদি দোনার্ট-কে।
আয়োজকরা জানান, অনুষ্ঠানে প্রথম ডেপুটি মেয়র নাবিলা জেব্বারির মা এবং তাঁর কনিষ্ঠ কন্যার উপস্থিতি তাদের জন্য ছিল বিশেষ আনন্দের বিষয়। তাঁদের আন্তরিক অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানের পারিবারিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
বক্তারা বলেন, ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশি ও বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক পরিচয়কে আরও শক্তিশালী করতে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা নববর্ষ ও বাঙালি ঐতিহ্য তুলে ধরতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আশা প্রকাশ করেন, অদূর ভবিষ্যতে অবেরভিলিয়ার্স শহরে বাংলা নববর্ষ বৃহত্তর পরিসরে উদযাপিত হবে এবং এটি স্থানীয় বহুসাংস্কৃতিক সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসবে পরিণত হবে।
অনুষ্ঠানের সফল আয়োজন ও বিপুল সাড়া আয়োজকদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে বলে তারা উল্লেখ করেন। বাংলা সংস্কৃতির বিকাশ ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এর পরিচিতি বৃদ্ধিতে সকলের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।



















