ইরানের ইউরেনিয়াম সরাতে রাশিয়া ও অন্য দেশের সঙ্গে আলোচনা করছে আইএইএ
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:
পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্রসহ সব কৌশলগত সক্ষমতাকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে রক্ষা করবে ইরান। বুধবার (২৯ এপ্রিল) লিখিত এক বার্তায় ইরানের ইসলামিক সরকারের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা সায়্যেদ মোজতবা খামেনি এমন বিবৃতি দিয়েছেন।
তাসনিম নিউজ এজেন্সির তথ্য মতে, জাতীয় পারস্য উপসাগর দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় মোজতবা খামেনি বলেন, দেশের ভেতরে ও বাইরে থাকা ৯ কোটি ইরানি জনগণ ন্যানো, বায়ো, পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তিসহ সব বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত অর্জনকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে দেখে এবং সেগুলো নিজেদের সীমান্তের মতোই রক্ষা করবে।
তিনি আরও বলেন, ইরান পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং শত্রুদের দ্বারা এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের অপব্যবহার বন্ধ করবে। মোজতবা খামেনি তার বক্তব্যে পারস্য উপসাগরকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করেন যা হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রুট তৈরি করেছে।
তিনি দাবি করেন, ইতিহাস জুড়ে ইউরোপীয় ও মার্কিন শক্তিগুলো এই অঞ্চলে হস্তক্ষেপ করেছে এবং সাম্প্রতিক সময়েও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী কর্মকাণ্ড এই অঞ্চলে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।
ইরানই পারস্য উপসাগরের সবচেয়ে বড় উপকূলের মালিক হিসেবে স্বাধীনতা রক্ষায় সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অতীতে পর্তুগিজ ও ডাচ ঔপনিবেশিক শক্তি এবং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিরোধ ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ।
খামেনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের পরিকল্পনায় পরাজিত হয়েছে এবং পারস্য উপসাগর অঞ্চলে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। সবশেষে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান ও পারস্য উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর ভবিষ্যৎ অভিন্ন এবং এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে নতুন ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা হবে। সূত্র: জাগোনিউজ



















