পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গি সন্দেহে জইশ-ই-মহম্মদ গ্রেফতার, মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
প্রজ্ঞা নিউজ ডেস্ক:
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান শহর থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের (Jaish-e-Mohammed) সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে হামিদ মন্ডল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। অভিযুক্তের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ডিজিটাল তথ্য ও নথিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা-সংক্রান্ত কিছু তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে তদন্তকারীরা, যা নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এসটিএফ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৩১ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বর্ধমান শহরের রেনেসাঁ হাউসিংয়ের একটি আবাসনে অভিযান চালিয়ে হামিদ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি জব্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে এসটিএফর দাবি, হামিদ মন্ডলের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। এছাড়া কাশ্মীরের পুলওয়ামা হামলার অন্যতম অভিযুক্ত সাজ্জাদ ভাটের গোষ্ঠীর সঙ্গেও তার যোগাযোগ থাকার সন্দেহ করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের ভাষ্য, অভিযুক্তের টাওয়ার লোকেশন ও ডিজিটাল ডিভাইস বিশ্লেষণে কাশ্মীরভিত্তিক জইশ-ই-মহম্মদের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও বার্তা আদান-প্রদানের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
তদন্তে আরও জানা গেছে, বর্ধমানে থাকার আগে হামিদ মন্ডল কলকাতার নিউটাউন এলাকায় একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। ওই এলাকার কাছেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন অবস্থিত। এসটিএফর দাবি, অভিযুক্তের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া কিছু নথিতে মুখ্যমন্ত্রীর চলাচল ও গতিবিধি সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
গ্রেফতারের পর হামিদ মন্ডলকে বর্ধমান আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে এসটিএফ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে কলকাতায় এসটিএফ সদর দপ্তরে নেওয়া হয়েছে। তবে উল্লেখ্য, হামিদ মন্ডলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো এখন তদন্তাধীন। আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি আইনগতভাবে অভিযুক্ত, দোষী নন। সূত্র: জাগোনিউজ



















